সাইনোসাইটিস কি, কেন হয়, চিকিৎসায় কি ভালো হয়?

সাইনোসাইটিস অতি পরিচিত একটি সমস্যা। মুখমন্ডলের সামনের দিকে দুইজোড়া বায়ুভর্তি কুঠুরি থাকে। এই কুঠুরিগুলোকে বলা হয় সাইনাস৷ এই সাইনাসের ঝিল্লির প্রদাহকেই বলা হয় সাইনোসাইটিস।

মাথার খুলিতে অবস্থিত এই সাইনাসের বিভিন্ন কাজ রয়েছে। বলা হয়ে থাকে এইসব সাইনাস নাকের মধ্যস্থিত বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র রাখে, মাথাকে হালকা রাখে।

সাইনোসাইটিস অনেক কারণে হয়ে থাকে। সাধারণভাবে যে সব কারণে হতে পারে সেগুলো হচ্ছে-নাকের ইনফেকশন, নাকের হাড় বাকাঁ, নাকের মাংস ফুলে বড় হয়ে যাওয়া (হাইপারট্রফাইড ইনফিরিয়র টারবিনেট), নাকের পলিপ ইত্যাদি।

অন্যান্য কারনঃ
*দূষিত পানিতে গোসল করলে পানি সাইনাসে প্রবেশ করে ইনফেকশন হয়ে 
*আঘাতের কারণে সাইনাস ছিদ্র হয়ে উন্মুক্ত হলে ইনফেকশন হয়ে
*দাঁতের মাড়ির একদম শেষ প্রান্তের দুটি দাঁত তুলে ফেলার সময় দাঁতের গোড়া দিয়ে সাইনাস উন্মুক্ত হয়ে ইনফেকশন হয়ে
এছাড়া ঠাণ্ডা ও ভেজা পরিবেশ, ধোঁয়া, ধূলোবালি ইত্যাদি পরিবেশ সাইনোসাইটিস হওয়ার জন্য দায়ী।

লক্ষনঃ
সাইনোসাইটিস-এর মূল উপসর্গ মাথা ব্যথা। এই ব্যথা চোখের নিচে এবং কপালে থাকে। এছাড়া মুখমন্ডল ও মাথার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যথা হতে পারে। কোন সাইনাসে ইনফেকশন হয়েছে সে অনুযায়ী এই ব্যথার অঞ্চল পরিবর্তিত হয়।

নাকের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে পুঁজ বেরিয়ে আসতে দেখা যাবে৷ শারীরিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে- গা ম্যাজম্যাজে ভাব, জ্বর, শরীর ব্যথা ইত্যাদি।

রোগ নির্নয়ঃ
শুধু এক্স-রে করেই সাইনোসাইটিস সম্পর্কে জানা যায়।

সাইনোসাইটিসের চিকিৎসার উদ্দেশ্য হচ্ছে নাকের মধ্যে সাইনাসের বর্হিগমনের রুদ্ধ পথগুলো খুলে দেয়ার মাধ্যমে সাইনাসের বর্হিগমন পথকে সুগম রাখা ও রোগীর ঘনঘন ঠান্ডা লাগার প্রবনতা দূর করে|

 



Comments




Write a new comment:




//