News Title: স্ট্রবেরির ভিন্ন ৩ প্যাকে যত্ন নিন ত্বকের

ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি এখন হাতের কাছেই পাওয়া যায়। রূপচর্চায় কাজে লাগাতে পারেন এই ফল। এতে থাকা উপাদান প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখে ত্বক। একই সঙ্গে ব্রণ, বলিরেখা ও ত্বকের কালচে দাগ দূর করতেও এর জুড়ি নেই। জেনে নিন ত্বকের যত্নে স্ট্রবেরির ভিন্ন ৩ প্যাক সম্পর্কে।

স্ট্রবেরি ও কফি

কয়েকটি স্ট্রবেরি ব্লেন্ড করে নিন। পরিমাণ মতো কফি পাউডার মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। চাইলে সামান্য পানি মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি ত্বকে ম্যাসাজ করুন। কয়েক মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকে নিয়ে আসবে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা। পাশাপাশি দূর করবে জমে থাকা মরা চামড়া।

স্ট্রবেরি ও কমলা

কয়েকটি কমলার কোয়া ও স্ট্রবেরি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। মুখ ও গলার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন প্যাকটি। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি ছিটিয়ে ঘষে ঘষে উঠিয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বকে ধুয়ে নিন। এই ফেস প্যাক ত্বকের পিএইচ লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া এই দুই ফলের অ্যাসিডিক উপাদান ত্বকের কালচে দাগ দূর করে।

স্ট্রবেরি ও মধু

কয়েকটি স্ট্রবেরি ব্লেন্ড করে মধু মিশিয়ে নিন। ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণ ত্বকে নিয়ে আসবে কোমলতা। প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এটি দূর করে ত্বকের রুক্ষতা। পাশাপাশি অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করতেও এর জুড়ি নেই।  


News Title: ভাইরাস জ্বর নাকি করোনার থাবা? বোঝার কৌশল

মহামারি করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে যেন ভেঙেচুরে যাচ্ছে আমাদের পুরো পৃথিবী। ইতোমধ্যেই এই মরণব্যাধির কারণে বদলে গেছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন। আগে হলে সর্দি, কাশি, হালকা জ্বরে গুরুত্ব দেয়ারও সময় ছিল না অনেকের। ‘ও এমনিতেই সেরে যাবে’- এমন একটা গা ছাড়া ভাব থাকতো এসব অসুখের ক্ষেত্রে। তবে এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। সর্দি, কাশি কিংবা জ্বর তো বটেই, সামান্য গলা খুসখুস করলেও উদ্বিগ্ন হচ্ছেন সবাই। এর কারণও কারো অজানা নয়।

কিন্তু ঋতু পরিবর্তনের সময় ভাইরাস জ্বর দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এই সময়ে জ্বর হলে তা সাধারণ ভাইরাস জ্বর নাকি করোনা ভাইরাস লক্ষণ- কী করে বুঝবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে হালকা থেকে মাঝারি জ্বরের সঙ্গে গা ম্যাজম্যাজ, একটু সর্দি ভাব, কখনো নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধের মতো উপসর্গ থাকে। কাশিও হতে পারে তবে তা এমন যাতে মনে হয় কফ তোলার জন্য কাশছে, কিন্তু কফ উঠছে না। এ অবস্থায় খুব একটা চিন্তার কিছু নেই। ঘরে বিশ্রামে থাকুন। গরম পানির ভাপ নিন। পর্যাপ্ত হালকা ও তরল খাবার খান। জ্বর বাড়লে প্যারাসিটামল খান। মাস্ক পরে বাড়ির অন্যদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সংক্রমণের ভয় থেকে যায়।

ইনফ্লুয়েঞ্জার জ্বর ও কষ্ট মোটামুটি ২-৩ দিন থাকে। তারপর কমতে শুরু করে। কিন্তু যদি তা না হয়, ৪-৫ দিন পরও জ্বর থাকে ও জ্বর বাড়তে শুরু করে, রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন কিংবা ডায়রিয়া, সর্দি কমে গিয়ে শ্বাসকষ্ট বা কাশির মাত্রা বাড়তে থাকে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা উচিত।

সাধারণ ভাইরাস জ্বর কীভাবে বুঝবেন?

* খুব বেশি জ্বর নাও হতে পারে। হালকা গা গরম থেকেও শরীরে বাসা বাঁধতে পারে ভাইরাল ফ্লু।

* জ্বরের সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা, দুর্বল লাগা, স্বাদে অরুচি এগুলো অন্যতম লক্ষণ।

* বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জ্বরের সঙ্গে গা-হাত-পায়ে ব্যথা অনুভব থাকে।

* অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে নাক দিয়ে কাঁচা পানি ঝরা, সর্দি-কাশি দেখা দিতে পারে।

তবে কি জ্বর হলেই করোনা পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো?

চিকিৎসকদের মতে, ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে এমনিতেই শরীর দুর্বল হয়ে যায়। তার উপর গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লাইনে দাঁড়িয়ে টেস্ট করালে সেখান থেকেই রোগ এসে যেতে পারে। সংক্রমণের প্রথম অবস্থায় রিপোর্টেরও আবার ফলস পজিটিভ, ফলস নেগেটিভ আছে। তাই একবার পরীক্ষা হলেই তা নিয়ে নিশ্চয়তার কিছু নেই। তাই জ্বর এক দিন দু’দিন থাকলেই তা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তাছাড়া এমনিতেও কো-মর্বিডিটি না থাকলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে করোনা ভাইরাস এত হালকা ভাবে থাকে যে প্যারাসিটামল খেলে ও একটু বিশ্রামে থাকলেই ঠিক হয়ে যায়। কাজেই জ্বর এলেও প্রতিটি সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো নিন।

করণীয়

করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সাবধান না হলে এমনিতেই আক্রান্ত হতে হবে। কাজেই সতর্ক থাকুন। বাড়িতে কারও জ্বরজারি হলে, সে ইনফ্লুয়েঞ্জা হোক কি করোনা ভাইরাস, তাকে সবার থেকে আলাদা থাকার ব্যবস্থা করুন। রোগী ও পরিবারের সবাই ত্রিস্তরীয় মাস্ক পরুন। বারবার হাত ধুতে থাকুন। ইনফ্লুয়েঞ্জাও যথেষ্ট ছোঁয়াচে। যেকোনো একটি সংক্রমণ কিন্তু অন্য সংক্রমণকে ডেকে আনতে পারে। কাজেই সাবধানতার বিকল্প নেই।

তাই জ্বর হলেই দুশ্চিন্তা করবেন না। তাতে শরীর আরও দুর্বল হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দু-তিন দিনে সমস্যা কমে যাবে। কাজেই সাবধানে থাকুন। উপসর্গের গতি-প্রকৃতির দিকে নজর রাখুন ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো চলুন। বেশিরভাগ লক্ষণ যদি করোনার সঙ্গে মিলে যায় তখন পরীক্ষা করাতে পারেন।


End of Today's News
Aichi Hospital Ltd.

Aichi Hospital Ltd.

Location :Plot- 35 & 37, Hospital Complex, Abdullahpur, Uttara, Dhaka 1230

View Details
AL - Manar HOspital Ltd.

AL - Manar HOspital Ltd.

Location :Plot Umo, Block No. Rossoi, Satmasjid Rd, Mohammadpur, Dhaka 1207

View Details
Al-Noor Eye Hospital

Al-Noor Eye Hospital

Location :1/9, Block-E, Lalmatia, Satmasjid Road, Dhaka-1207, Satmasjid Road, Dhaka 1207

View Details
ANWER KHAN MODERN HOSPITAL LIMITED

ANWER KHAN MODERN HOSPITAL LIMITED

Location :House # 17, Road # 8, Dhanmondi R/A, Dhaka 1205

View Details
Apollo Hospital

Apollo Hospital

Location :Plot: 81, Block: E, Bashundhara R/A, Dhaka 1229.

View Details
Asgar Ali Hospital

Asgar Ali Hospital

Location :111/1/A , Distillery Road, Beside Dhupkhola Playground, Gandaria, Dhaka 1204

View Details
Bangladesh ENT Hospital Ltd.

Bangladesh ENT Hospital Ltd.

Location :41/A Mirpur Rd, Dhaka 1207

View Details
Bangladesh Eye Hospital

Bangladesh Eye Hospital

Location :House- 78 Satmasjid Road Dhaka 120

View Details
Bangladesh Specialized Hospital

Bangladesh Specialized Hospital

Location :21 Shyamoli, Mirpur Road, Dhaka 1207

View Details
Birdem General Hospital

Birdem General Hospital

Location :122 Kazi Nazrul Islam Ave, Dhaka 1000

View Details